স্থায়ী ফর্সা হওয়ার উপায় এতটা সহজ জানলে আপনি ও অবাক হবেন

মাথা ভারী লাগার কারণ জানুনআমাদের দেশের আবহাওয়া অনুযায়ী বেশিরভাগ মানুষের গায়ের বর্ণ শ্যামলা। আর সেই কারণে অনেকেই তাদের ত্বক স্থায়ীভাবে ফর্সা করার চেষ্টা করে। তাই তারা স্থায়ী ফর্সা হওয়ার উপায় খুঁজে বেড়াই। আপনিও যদি আপনার ত্বক স্থায়ী ফর্সা হওয়ার উপায় খোঁজেন তাহলে আমার লেখা স্থায়ী ফর্সা হওয়ার উপায় আর্টিকেলটি পড়ুন। এই আর্টিকেলে আমি প্রাকৃতিকভাবে ফর্সা হওয়ার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করেছি।
স্থায়ী ফর্সা হওয়ার উপায়
আশা করছি আমার লেখা স্থায়ী ফর্সা হওয়ার উপায় এই আর্টিকেলটি দ্বারা আপনি অনেক বেশি উপকৃত হবেন এবং আপনার ত্বক আগের থেকে অনেক বেশি উজ্জ্বল হবে।

আলুর রস ও মধু

আমরা সকলেই চাই কোনরকম সাইড ইফেক্ট ছাড়া প্রাকৃতিকভাবে নিজেদের চেহারা আগের থেকে উজ্জ্বল করতে। প্রতিটি মানুষ সৌন্দর্যের পূজারী। নিজের ত্বক যতটা সুন্দর তার থেকে আরেকটু সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে সকলেই চাই। 

স্থায়ী ফর্সা হওয়ার উপায় সম্পর্কে জেনে নিজেদের ত আগের থেকে উজ্জ্বল এবং স্থায়ীভাবে ফর্সা করতে চাই। আর এই কাজে অনেক বেশি সাহায্য করে আমাদের বাসায় থাকায় একটি প্রাকৃতিক উপাদান। আর এই প্রাকৃতিক উপাদান হচ্ছে আলু। 
আলু এমন একটি উপাদান যার সাহায্যে আপনি ঘরে বসেই আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে পারবেন। আর এই আলুর সাথে যদি মধু মিশিয়ে ব্যবহার করেন তাহলে আপনার চেহারা হবে আগের থেকে অনেক বেশি উজ্জ্বল। এখন জেনে নিন আলুর রস ও মধু কিভাবে ব্যবহার করতে হবে।

আলু রস ও মধু দিয়ে তৈরি প্যাকঃ একটি মাঝারি সাইজের আলু ছোট করে কেটে নিন। এবার আলু থেকে আলুর রস বের করে নিতে হবে। আলুর রসের সাথে দুই চামচ লেবুর রস মিশাতে হবে। দুটি উপাদানের রস খুব ভালোভাবে মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করতে হবে। 

এবার এই প্যাকটি ভালোভাবে সম্পূর্ণ মুখে এবং গলায় লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ম্যাসাজ করতে হবে। ভালোভাবে ম্যাসাজ করে পরিষ্কার ভাবে ধুয়ে নিতে হবে। আপনি এর উপকারিতা নিজের চোখেই লক্ষ্য করতে পারবেন।

স্থায়ী ফর্সা হওয়ার উপায়

প্রতিটি মানুষ চাই তার চেহারা এবং ত্বক যেরকম আছে তার থেকে আরেকটু উন্নত এবং উজ্জ্বল করতে। বিশেষ করে মেয়েদের মাঝে এটি বেশি লক্ষ্য করা যায়। আর ত্বক উজ্জ্বল করার জন্য সকলে কত ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করেন। অনেকেই রয়েছে যারা যাদের গায়ের শ্যামলা রং উজ্জ্বল করতে চাই। সেজন্য সে অনেক রকম চেষ্টা করে থাকে। 
অনেকেই মনে মনে স্থায়ী ফর্সা হওয়ার উপায় খুঁজে বেড়াই। আমি এখন কিছু উপায় সম্পর্কে আলোচনা করব যে সকল উপায় অবলম্বন করে আপনারা আপনাদের পথ আগের থেকে অনেক বেশি উজ্জ্বল করতে পারবেন। রকম পদ্ধতি অবলম্বন করে আমাদের ত্বকের রং যেমন তার থেকে একটু উজ্জ্বল করা সম্ভব। তাই আমি এখন আপনাদের সামনে সে রকম কিছু পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করব।

হলুদের সাহায্যে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিঃ হলুদ এমন একটি উপাদান যা আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে অনেক বেশি কাজ করে থাকে। আদিম কাল থেকে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করার জন্য হলুদের ব্যবহার করে আসছে। তাই আপনি যদি আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে চান তাহলে হলুদ হচ্ছে আপনার সব থেকে কার্যকরী উপাদান। 

আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা ভেতর থেকে বৃদ্ধির জন্য এক টুকরো হলুদ দুধের সাথে ফুটিয়ে গরম করে সেই দুধ প্রতিদিন একবার পান করতে পারেন। এতে করে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা ভেতর থেকে বৃদ্ধি পাবে।

হলুদের ফেসপ্যাকঃ একটি পাত্রে সামান্য পরিমাণ দুধ এবং তার সাথে লেবুর রস ও হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার এটি সারা মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে নিতে হবে। এই পেস্টটি শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। শুকিয়ে যাওয়ার পর ভালোভাবে ঠান্ডা পানি দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে।

মুলতানি মাটির সাহায্যে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিঃ আমরা সকলেই জানি মুলতানি মাটি আমাদের ত্বকের জন্য অনেক বেশি উপকারী। তাই আপনি যদি আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে চান তাহলে নিঃসন্দেহে মুলতানি মাটি ব্যবহার করতে পারেন। মুলতানি মাটিতে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম সহ নানা রকম খনিজ উপাদান। 

যা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক বেশি উপকারী। মুলতানি মাটি আমাদের ত্বকে বয়সের ছাপ সরাতে অনেক বেশি সাহায্য করে। তাই যদি চান আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে তাহলে নিয়মিত মুলতানি মাটি ব্যবহার করুন।

মসুরের ডাল দিয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিঃ মসুর ডাল আমাদের ত্বকের জন্য অনেক বেশি উপকারী। তাই অনেকেই রয়েছে যারা যাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে মসুরের ডাল ব্যবহার করে থাকেন। কিছুটা পরিমাণ মসুরের ডাল সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালবেলা তা পিছে পেস্ট তৈরি করতে হবে। 
এবার এই মসুর ডালের পেস্ট এর সাথে মধু, গোলাপজল ও লেবুর রস দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার এই পেস্ট টি পুরো মুখে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে যাওয়ার পর পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে করে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে।

বেসনের সাহায্যে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিঃ বেসন আমাদের আমাদের ত্বক ফর্সা করার একটি কার্যকরী প্রাকৃতিক উপাদান। একটি পাত্রে সামান্য পরিমাণ বেসন তার সাথে এক চা চামচ মধু ও এক চা চামচ কাঁচা দুধ নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এবার এই পেস্ট ভালোভাবে পুরো মুখে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলুন।

কফির সাহায্যে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিঃ আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ রয়েছে যাদের কফি প্রিয় মানুষ বলা যেতে পারে। তারা কফি খেতে অনেক বেশি পছন্দ করে। কফি সাধারণত আমাদের ক্লান্তি এবং কাটানোর জন্য আমরা খেয়ে থাকি। 

কিন্তু আপনি কি জানেন কফি দ্বারা খুব সহজেই ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করা যায়। আপনি জানলে অবাক হবেন যে কফি খুব সহজেই আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে থাকে। একটি পাত্রে সামান্য পরিমাণ কফি নিয়ে তার সাথে কাঁচা দুধ মিশিয়ে পুরো মুখে ভালোভাবে ম্যাসাজ করতে পারেন। 

এটি আপনার ত্বকের উপরের ময়লা পরিষ্কার করতে অনেক বেশি সাহায্য করবেন যা আমরা ক্লিনজার হিসাবেও ব্যবহার করতে পারি। এছাড়াও কফির সাথে সামান্য পরিমাণ মধু মিশিয়ে ঘন একটি পেস্ট তৈরি করে এটি আপনার মুখে ব্যবহার করতে পারেন। এটির কার্যকারিতা খুব সহজেই আপনার চোখে পড়বে।

লেবু দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায়

লেবু এমন একটি উপাদান যা আমাদের ত্বকের বিভিন্ন রকম সমস্যা সমাধান করতে অনেক বেশি সাহায্য করে। আমাদের ত্বকের বিভিন্ন রকম সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা নিঃসন্দেহে লেবু ব্যবহার করতে পারি। তেলেগুতে রয়েছে প্রথম পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি। যা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক বেশি উপকারী। লেবু দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করলাম।

লেবু ও মধুঃ অর্ধেক লেবুর রসের সাথে ২ চামচ মধু মিশিয়ে ভালোভাবে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার এই মিশ্রণ টি পুরো মুখে এবং গলায় লাগিয়ে রাখুন। এভাবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রাখার পর ধুয়ে ফেলুন। এভাবে মিশ্রণটি ব্যবহারের ফলে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

লেবু ও শসার রসঃ লেবু ও শসার রস এই দুটি প্রাকৃতিক উপাদান আমাদের ত্বকের জন্য অনেক বেশি উপকারী। লেবু আমাদের ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে এবং শসা আমাদের ত্বক কে সতেজ রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করে। তাই একটি পাত্রে সমপরিমাণ লেবুর রস ও শসার রস নিয়ে একসাথে দুটি মিশিয়ে আপনার মুখে ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে আপনার মুখের তৈলাক্ততা দূর হবে।

লেবু ও দুধঃ লেবু ও দুধের মিশ্রণ আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে অনেক বেশি সাহায্য করে। তাই আপনার চেহারার উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে আপনি লেবু ও দুধের মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। একটি পাত্রে কিছুটা পরিমাণ লেবুর রস ও কিছুটা পরিমাণ কাঁচা দুধ নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে এটি আপনার ত্বকেও গলায় ব্যবহার করতে পারেন। কিছুক্ষন পর ধুয়ে ফেলুন। এতে করে আপনি অনেক উপকার পাবেন।

লেবু ও অ্যালোভেরাঃ অ্যালোভেরা জেল আমাদের ত্বকের জন্য অনেক বেশি উপকারী। আর যদি সেই অ্যালোভেরা জেল এর সাথে লেবু মেশানো যায় তাহলে বলা যায় যে সোনাই সোহাগা। যা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক বেশি উপকারী। 

অ্যালোভেরা জেল এর সাথে এক চামচ লেবু মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করতে পারেন। এই প্যাকটি আপনার চেহারায় এপ্লাই করুন। কিছুক্ষণ পর পরিষ্কারভাবে ধুয়ে ফেলুন। এর উপকারিতা আপনি নিজের চোখেই দেখতে পাবেন।

লেবু ও কফিঃ একটি পাত্রে কিছুটা পরিমাণ লেবুর রস নিন। এর সাথে এক টেবিল চামচ কফি পাউডার মিশিয়ে ভালোভাবে মসৃণ একটি পেস্ট তৈরি করুন। তারপর এই পেস্ট আপনার ত্বকে লাগিয়ে কিছুক্ষণের জন্য রেখে দিন। শুকিয়ে যাওয়ার পর এটি ধুয়ে ফেলুন।

টমেটো দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায়

টমেটো আমাদের দেশে শীতকালীন সবজি হিসেবে পরিচিত। এই সবজি সাধারণত শীতকালে দেখা যায়। অনেকে এই সবজি রান্না করে খেতে পছন্দ করে আবার অনেকে এই সবজি কাঁচা খেতে পছন্দ করে। এই সবজি আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে অনেক বেশি সাহায্য করে। 

টমেটো ব্যবহারের ফলে আমাদের ত্বকের তৈলাক্ত ভাব অনেকটা কেটে যায়। তাছাড়াও টমেটো আমাদের ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে এবং মৃত কোষ দূর করে। এগুলোর পাশাপাশি টমেটো ব্যবহারের ফলে আমাদের ত্বকের ব্রণের সমস্যা দূর হয়। 

অনেকের ত্বকের জ্বালাপোড়ার সমস্যা রয়েছে যা টমেটো ব্যবহারের ফলে অনেকটা কমে যায়। টমেটো ব্যবহারের ফলে আমাদের ত্বকের বয়সের ছাপ অনেকটা কমে আসে। টমেটো দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায় আলোচনা করলাম।

  • টমেটো দিয়ে ত্বক উজ্জ্বল করার জন্য আপনি টমেটোর রসের সাথে শসার রস মিশিয়ে তা আপনার ত্বকের জন্য টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
  • এছাড়াও আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য আপনি টমেটোর সাথে দই মিশিয়ে একটি ফেসপ্যাক তৈরি করে আপনার ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন।
  • আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির একটি দারুণ উপায় হচ্ছে টমেটো ও মধুর মিশ্রণ। এই দুটি উপাদান একসাথে মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন এবং আপনার ত্বকে ব্যবহার করুন। এর উপকারিতা নিজের চোখে দেখতে পাবেন।

কোরিয়ানদের মতো ফর্সা হওয়ার উপায়

আপনি কি স্থায়ী ফর্সা হওয়ার উপায় সম্পর্কে জানতে অনেক বেশি আগ্রহী বিশেষ করে কোরিয়ানদের মত ত্বকের উজ্জ্বলতা পেতে চান। আমরা অনেকেই রয়েছি যারা কোরিয়ানদের চেহারা দেখে অনেক বেশি হতবাক হয়ে তাকিয়ে তাকিয়ে থাকি এবং মনে মনে চাই আমাদের চেহারা যেন তাদের মত হয়।

কারণ কোরিয়ানদের ত্বকের উজ্জ্বলতা সকলের নজর কারে। আমরা মনে মনে কোরিয়ানদের মত ফর্সা হওয়ার উপায় খুঁজি। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন তাদের ত্বকের এই সৌন্দর্য কি এমনিতেই সেরকম উজ্জ্বল্য ধরে রেখেছে। না তাদের ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য তারা বিভিন্ন রকম পদ্ধতি এবং নিয়ম মেনে চলে। 

তারা তাদের চেহারা কিংবা ত্বকের যত্নে অনেক বেশি আগ্রহী। কোনরকম বিরক্তবোধ না করে তারা তাদের নিয়মিত রূপচর্চা করে থাকেন। তারা তাদের ত্বকের প্রতি অনেক বেশি সচেতন। আমাদের দেশে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের নাইট ক্রিম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক সময় ক্ষতিকারক হিসেবে প্রমাণিত হয়। 

কিন্তু কোরিয়ানরা তাদের চেহারার উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য প্রাকৃতিক উপাদানের উপর বেশি নির্ভরশীল। তারা বেশ কিছু নিয়ম কঠোরভাবে পালন করে তাদের উজ্জ্বলতা ও সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য। আসুন তাহলে জেনে নিই কোরিয়ানরা তাদের চেহারার যত্নের জন্য কোন কোন নিয়ম পালন করে থাকে।

  • কোরিয়ানরা তাদের ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে তাদের চেহারায় গরম পানির ভাব নেই। গরম পানির ভাব চেহারার মৃত কোষগুলোর মুখ খুলতে অনেক বেশি সাহায্য করে যা ত্বকের জন্য অনেক বেশি উপকারী।
  • এছাড়াও তারা তাদের চেহারায় একটি বিশেষ ধরনের ম্যাসাজ করিয়ে থাকে। যা একটি বিশেষ ধরনের রোলার এর সাহায্যে করা হয়ে থাকে। এখন বাজারে এই ধরনের রোলার পাওয়া যায়। আপনি সেই রোলার কিনে নিয়ে এসে প্রতিদিন ঘুমানোর পূর্বে বাসায় ম্যাসাজ করতে পারেন।
  • এছাড়াও কোরিয়ানরা তাদের মুখ ধোয়া থেকে শুরু করে টোনার লাগানো এবং সবশেষে মশ্চারাইজার ব্যবহারে অনেক বেশি সতর্ক থাকেন।
  • তাছাড়াও তারা তাদের দেশে পাওয়া বিখ্যাত কোম্পানির সিরাম এছাড়া চোখের ক্রিম এবং ব্ল্যাকহেড দূর করার জন্য যে সকল মাস্ক রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করে থাকেন।
  • তারা তাদের ত্বকের বলিরেখা দূর করার জন্য ভিটামিন ইনফিউশন থেরাপি করিয়ে থাকে।
  • এছাড়াও করি আমরা নিয়মিত শীট মাস্ক ব্যবহার করে থাকে।
উপরের নিয়মগুলো কোরিয়ানরা খুব কঠোরভাবে তাদের ত্বকের জন্য পালন করে থাকে। এ সকল নিয়ম পালন করার পাশাপাশি তারা প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তাদের ত্বকের যত্ন নিতে তারা বেশি পছন্দ করে। যেমন অ্যালোভেরা জেল, রোজ শিপ তেল, চিনির স্ক্রাব, মধু, ফার্মেন্টেড রাইস ওয়াটার ইত্যাদি জাতীয় প্রাকৃতিক উপাদান তারা তাদের ত্বকের যত্নে অনেক বেশি ব্যবহার করে থাকে।

শেষ কথা

আশা করছি আমার লেখা স্থায়ী ফর্সা হওয়ার উপায় এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি বুঝতে পেরেছেন ঘরোয়া উপায়ে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে কিভাবে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবেন। কিন্তু আমার মতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির মানেই যে সুন্দর ত্বক তা কিন্তু নয়। ত্বকের রং যেমনই হোক না আপনার ত্বক যদি সতেজ ও সুন্দর হয় তাহলেই আপনাকে দেখতে অনেক সুন্দর লাগবে। 

আপনাকে সুন্দর দেখার জন্য ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে হবে এমন কিন্তু কোন কথা নেই। আমরা সকলেই চাই আমাদের ত্বক যেন উজ্জ্বল হয় কিন্তু আমাদের চাওয়া উচিত আমাদের ত্বক যেন সতেজ থাকে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

দ্যা বর্ষা ওয়েব সাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url