টাইফয়েড জ্বর কি ছোঁয়াচে জানুন এবং সতর্কতা অবলম্বন করুন

কি খাবার খেলে টিউমার ভালো হয়আপনার জ্বর কি দীর্ঘ দিনের জ্বর হয় আর কিছুতেই সেই জ্বর কমছে না আপনি টাইফয়েডের আশঙ্কা করছেন তাহলে আমাদের লেখা টাইফয়েড জ্বর কি ছোঁয়াচে আর্টিকেলটি পড়ুন। আমরা আমাদের আর্টিকেল টাইফয়েড জ্বর কি ছোঁয়াচে দ্বারা আপনাদের সামনে টাইফয়েড সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করছি আপনারা যদি টাইফয়েড জ্বর কি ছোঁয়াচে আর্টিকেলটি পড়েন তাহলে টাইফয়েড সম্পর্কে সকল তথ্য জানতে পারবেন।
টাইফয়েড জ্বর কি ছোঁয়াচে
আমরা আমাদের আর্টিকেল টাইফয়েড জ্বর কি ছোঁয়াচে এর মাঝে টাইফয়েড সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছি যে সকল তথ্য আপনাদের অনেক উপকারে আসবে।

টাইফয়েড জ্বর কি

আমরা যদি জ্বরে দীর্ঘদিন যাবত পড়ে থাকি আর কিছুতেই সেই জ্বর ভালো না হয় তাহলে তাকে টাইফয়েড জ্বর হিসেবে আশঙ্কা করে থাকি। কিন্তু আপনারা কি জানেন টাইফয়েড জ্বর কোন কারনে হয় এবং টাইফয়েড জ্বর কি। যদি না জেনে থাকেন তাহলে টাইফয়েড জ্বর কি ছোঁয়াচে আর্টিকেল দ্বারা জেনে নিন। 

একজন ব্যক্তি কখন টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়? যখন একজন ব্যক্তির শরীরে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে তখন সেই ব্যাকেটি টাইফয়েড জ্বরে পরে। সাধারণত টাইফয়েড হচ্ছে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ। ব্যাকটেরিয়ার আক্রান্তের কারণে এই জ্বর হয়ে থাকে। 

টাইফয়েড এর ব্যাকটেরিয়ার নাম হচ্ছে Salmonella typhi আর এই ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের কারণেই একজন ব্যকেতিয়ে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়। যখন কোন ব্যক্তির শরীরে এই ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করার ৬ থেকে ৩০ দিন পর ব্যাকটেরিয়ার জ্বরের লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।

টাইফয়েড জ্বর কেন হয়

এতক্ষণ আমরা জানলাম টাইফয়েড জ্বর একজন ব্যাঘাতীর শরীরে কিভাবে ছড়ায় এবং টাইফয়েড জ্বর কি। টাইফয়েড  জ্বর কেন হয়? এই প্রশ্নের উত্তরে আমরা বলব যে টাইফয়েড জ্বরের প্রধান কারণ হচ্ছে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হওয়া। 

আর ব্যাকটেরিয়া মানুষের শরীরে পৌঁছানোর প্রধান বাহন হচ্ছে খাদ্য এবং জল। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের পানি পান করা এবং খাদ্য খাওয়ার কারণে একজন ব্যক্তির শরীরে টাইফয়েডের ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে। আর এই ব্যাকটেরিয়া খাদ্য এবং জলের দ্বারা শরীরে প্রবেশ করে মানুষের অন্তর এবং রক্তে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেতে থাকে। 

যা একসময় শরীরে জ্বরের মতন প্রভাব সৃষ্টি করে। ব্যাকটেরিয়া জ্বরে আক্রান্ত হলেও ব্যক্তির জলের পাশাপাশি আরও বিভিন্ন রকম লক্ষণ প্রকাশ পায়।

টাইফয়েড জ্বর হলে করণীয় কি

একজন ব্যক্তি যখন টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয় তখন তার বিভিন্ন রকম লক্ষণ প্রকাশ পায়। আর সেই কারণে টাইফয়েড আক্রান্ত ব্যক্তির বিভিন্ন রকম সমস্যাও দেখা দিয়ে থাকে। টাইফয়েড এর মাত্রা অতিরিক্ত হয়ে গেলে তার চিকিৎসা হিসাবে এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন দেওয়া হয়ে থাকে। 

কিন্তু আপনি যদি এ টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হন তাহলে শুধুমাত্র এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন এবং ঔষধের ওপর নির্ভর করে থাকবেন না। তার পাশাপাশি কিছু করণীয় আপনাকেও মেনে চলতে হবে।আপনি যদি সেই সকল করণীয়গুলো মেনে চলতে পারেন তাহলে খুব দ্রুত আপনি টাইফয়েড জ্বর থেকে মুক্তি পাবেন। তাহলে এখন জেনে নিন টাইফয়েড জ্বর হলে করণীয় কি।
  • আপনার যদি অতিরিক্ত মাত্রায় জ্বর থাকে তাহলে ঘনঘন মাথা ধুয়ে নিতে হবে এবং পুরো শরীর ভেজা গামছা দিয়ে মুছে নিতে হবে। যখন দেখবেন জ্বরের তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে তখন এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।
  • বাথরুম থেকে বের হয়ে এবং যেকোনো খাবার খাওয়ার পূর্বে ভালোভাবে পরিষ্কার করে হাত ধুয়ে নিতে হবে।
  • ফলমূল অথবা শাক-সবজি খাওয়ার পূর্বে ভালোভাবে ধুয়ে তারপরে তা খেতে হবে।
  • তরল জাতীয় খাবার বেশি খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
  • পরিশোধিত পানি পান করতে হবে।
  • টাইফয়েড জ্বর হলে যদি গোসল করতেই হয় তাহলে আপনাকে ঠান্ডা পানিতে গোসল না করে হালকা কুসুম গরম পানিতে গোসল করতে হবে।

টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ

টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হলে ব্যক্তির তীব্র অথবা হালকা জ্বর আসে এবং সেই জ্বর দীর্ঘদিন যাবত থাকে। আমরা সকলে টাইফয়েড এর লক্ষণ বলতে শুধুমাত্র এটাকেই বুঝি। কিন্তু টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ জ্বর হওয়ার পাশাপাশি আরও বিভিন্ন সমস্যা প্রকাশ হয়। 

আপনার পরিবারের কারো যদি জ্বরের পাশাপাশি সেই সকল লক্ষণ গুলো প্রকাশ পায় তাহলে বুঝতে হবে সেই ব্যক্তি সাধারণ জ্বরে নয় টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। আপনাদের জানার সুবিধার্থে টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণগুলো তুলে ধরলাম।
  1. প্রচন্ড জ্বর হওয়া আর সেই জ্বর ১০০ ডিগ্রীর উপরে হতে পারে।
  2. প্রচন্ড পরিমাণে পেটে ব্যথা।
  3. প্রচন্ড পরিমাণে মাথা ব্যথা এবং শরীর ব্যথা হয়ে থাকে।
  4. বমি বমি ভাব হবে অথবা বমি দেখা দিবে।
  5. শরীর অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়বে।
  6. কারো কারো ক্ষেত্রে কাশি দেখা দিয়ে থাকে।
  7. ডায়রিয়া অথবা কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে
  8. মাথা ভারী হয়ে যেতে পারে।
  9. ক্ষুধা মন্দা এবং খাওয়ার উপর থেকে রুচি হারিয়ে যাওয়া।
  10. এর পরিমাণ বেড়ে গেলে কারো কারো ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায় যে পেটের উপরে অথবা পিঠে লালচে ধরনের গুড়ি গুড়ি অথবা দাগ দেখা দিচ্ছে।
কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে যদি জ্বরের পাশাপাশি এই সকল লক্ষণ গুলো প্রকাশ পায় তাহলে বুঝতে হবে সেই ব্যক্তি টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। তাকে নিকটস্থ চিকিৎসকের নিকট নিয়ে যেতে হবে এবং তার পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

টাইফয়েড জ্বর কতদিন থাকে

আমাদের দেশে প্রায় প্রতিবছর হাজার হাজার ব্যাক্তি টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে থাকে। টাইফয়েড জ্বরের প্রধান কারণ হচ্ছে ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য খাওয়া অথবা পানি পান করা। আমাদের দেশে এমন অনেক রেস্টুরেন্ট রয়েছে যে সকল রেস্টুরেন্টে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি করা হয়। আর সেই সকল খাবার খেয়ে হাজার হাজার ব্যক্তি টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। 

আর সেই টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির মলের দ্বারা আরো ব্যক্তি টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে থাকে। একজন ব্যক্তি যখন টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয় তখন সেই ব্যক্তির ৬ থেকে দশ দিন পর থেকে লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে পারে। ৬ থেকে ১০ দিন পর থেকে টাইফয়েডের লক্ষণ গুলো প্রকাশ পেতে থাকলে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে টাইফয়েড জ্বর আসলেই কতদিন থাকে? 

কোন ব্যক্তি যখন টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয় তখন সেই ব্যক্তির প্রথম থেকে দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণগুলো বৃদ্ধি পেতে থাকে। আর সেই ব্যক্তির জ্বর তৃতীয় থেকে চতুর্থ সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

টাইফয়েড জ্বর হলে কি কি খাওয়া উচিত

অন্য ব্যক্তিদের খাবার আর টাইফয়েড রোগীর খাবার এর মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। টাইফয়েড রোগ যেহেতু খাবার এবং পানি দ্বারা ছড়িয়ে থাকে তাই টাইফয়েড রোগীকে অবশ্যই খাবার খাওয়ার দিকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। 

খাবার খাওয়ার পূর্বে বিবেচনা করতে হবে কোন সকল খাবার খাওয়া যাবে এবং কোন সকল খাবার খাওয়া যাবেনা। আমরা এখন আপনাদের সামনে টাইফয়েড জ্বর হলে কি কি খাওয়া উচিত সেই সম্পর্কে আলোচনা করব।
ডা.সোহেল মাহমুদ এর মতে টাইপোয়েড রোগীকে যে সকল খাবার খাওয়াতে হবে সে সম্পর্কে আলোচনা করলাম। টাইফয়েড রোগীকে তরল জাতীয় খাবার গুলো বেশি বেশি খাওয়াতে হবে । যেমনঃ
  • ফলের রস
  • ডাবের জল
  • শরবত
  • স্যালাইন
  • স্যুপ
  • ডিম
  • দুধ
  • তাজা ফলমূল
  • শাকসবজি

টাইফয়েড জ্বর হলে কি গোসল করা যায়

অনেকে রয়েছেন যারা মনে করেন টাইফয়েড জ্বর হলে গোসল করলে সেই জ্বর কমে যাবে। আবার কেউ কেউ রয়েছেন যারা মনে করেন টাইফয়েড জ্বর হলে গোসল করা যাবে না নাহলে জ্বর আরও বেড়ে যাবে। কিন্তু এই দুই চিন্তা ধারায় একেবারেই ভুল। 

টাইফয়েড জ্বর হলে যে আপনাকে গোসল করতেই হবেই এটা ঠিক নয়। টাইফয়েড জ্বর হলে আপনার যদি গোসল করা খুবই জরুরী হয়ে পড়ে তাহলে অবশ্যই গোসল করতে পারেন কিন্তু হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করার চেষ্টা করবেন। আপনি যদি ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করতে চান তাহলে অবশ্যই গোসল করার পূর্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। 

টাইফয়েড জ্বরের তাপমাত্রা যদি অতিরিক্ত পরিমাণ হয় তাহলে গোসল না করে পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে দিতে পারেন এছাড়াও একটি গামছা ভিজিয়ে পুরো শরীর মুছে দিতে পারেন। এতে করে জ্বরের তাপমাত্রা অনেকটা কমে যাবে।

টাইফয়েড জ্বর কি ছোঁয়াচে

আপনাদের অনেকের মনে প্রশ্ন যে আগে টাইফয়েড জ্বর কি ছোয়াচে? আপনাদের এই প্রশ্নের উত্তরে আমরা বলব যে টাইফয়েড জ্বর ছোঁয়াচে আবার ছোয়াচে নয়। এই কথা বলার কারণ হচ্ছে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত রোগীর মলের দ্বারা টাইফয়েড জ্বরের ব্যাকটেরিয়া অন্য ব্যক্তিদের মাঝে ছড়িয়ে পড়তে পারে। 

আর এই ব্যাকটেরিয়া যদি অন্য ব্যক্তিদের মাঝে ছড়ায় তাহলে সেই ব্যক্তির ও টাইফয়েড হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই বলা যায় যে টাইফয়েড জ্বর ছোঁয়াচে। কিন্তু টাইফয়েড রোগীর সংস্পর্শে অথবা টাইফয়েড রোগীর ব্যবহৃত কোন জিনিসপত্র ব্যবহার করলে এই রোগ ছড়াই না। 

টাইফয়েড রোগীর আশেপাশে থাকলেও এই জল ছড়াই না। এই জ্বর ছড়ানোর একমাত্র বাহন হচ্ছে এর ব্যাকটেরিয়া।

টাইফয়েড পরবর্তী সমস্যা

একজন ব্যক্তি যখন টাইফয়েড এ আক্রান্ত হয় তখন সেই ব্যক্তির বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। একজন ব্যক্তির শরীরের যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকে তাহলে টাইফয়েড এর ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করার পরও সেই ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সেই সকল ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ফেলে এবং টাইফয়েড থেকে মুক্তি পায়। 

কিন্তু শরীরে যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে তাহলে সেই ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে পারে না এবং শরীর টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। টাইফয়েড এ আক্রান্ত হওয়ার কারণে বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দেয়। যেমনঃ
  • কিডনির বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলে যাওয়া অথবা ফোড়া বের হওয়ার মত দেখা দিতে পারে।
  • টাইফয়েডে আক্রান্ত হওয়ার পরবর্তী পদক্ষেপ নিউমোনিয়া হয়ে যেতে পারে।
  • কারো কারো ক্ষেত্রে দেখা যায় যে স্নায়বিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
  • বিভিন্ন রকম অগ্নাশয় এর প্রদাহের সমস্যা দেখা দেয়।
  • এছাড়াও মস্তিষ্কের প্রদাহ দেখা দিতে পারে।
  • আমাদের পরিপাকতন্ত্র থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে।
  • আমাদের পিত্তথলিতে বিভিন্ন রকম সংক্রমণ হতে পার।
একজন ব্যক্তির যখন টাইফয়েড এর মাত্রা বেড়ে যায় তখন উপরোক্ত সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে।

শেষ কথাঃ টাইফয়েড জ্বর কি ছোঁয়াচে

আশা করছি আপনারা টাইফয়েড জ্বর কি ছোঁয়াচে আর্টিকেল দ্বারা টাইফয়েড সম্পর্কে সকল তথ্য জানতে পেরেছেন। আমরা আপনাদেরকে জানার সুবিধার্থে আমাদের আর্টিকেল দ্বারা টাইফয়েড সম্পর্কে সকল খুঁটিনাটি তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। 

আপনাদের টাইফয়েড হলে কোন কোন খাবার খাবেন কিভাবে খাবেন কি করবেন না করবেন সকল কিছু তুলে ধরেছি। টাইফয়েড এর লক্ষণ গুলো যদি অতিরিক্ত বেড়ে যায় তাহলে বাসায় বসে না থেকে রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের নিকট নিয়ে যেতে হবে। কারণ এটি এমন ধরনের একটি রোগ যার কারণে প্রতি বছর অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে। 

তাই টাইফয়েড হলে অবহেলা নয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। টাইফয়েড সম্পর্কে আপনাদের আরো কিছু জানার থাকলে আমাদের কে কমেন্টের মাধ্যমে জিজ্ঞাসা করতে পারেনা আমরা যত দ্রুত সম্ভব আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব।

''ধন্যবাদ''

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

দ্যা বর্ষা ওয়েব সাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url