হাতিশুঁড় গাছের উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

আমরা আজকে আপনাদের সামনে হাতিশুঁড় শুর গাছের উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করব। হাতিশুঁড় গাছের নাম অনেকে শুনেছেন আবার অনেকেই রয়েছেন প্রথমবার শুনছেন। অনেকেই হাতিশুঁড় গাছের উপকারিতা সম্পর্কে অবগত আবার কারো কারো কাছে হাতিশুঁড় গাছের উপকারিতা যেন অপরিচিত একটি বিষয়। হাতিশুঁড় কথাটি শুনে কেউ কেউ আবার হাতির সুর মনে করেন না। এটি হচ্ছে এক ধরনের ঔষধি গাছ।
হাতিশুঁড় গাছের উপকারিতা
তাহলে এখন আর্টিকেল পড়ার মাধ্যমে জেনে নিন হাতিশুঁড় গাছের উপকারিতা গুলো কি কি। আশা করছি আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন

হাতিশুঁড় কি?

হাতিশুঁড় এক ধরনের ঔষধি গাছ হিসেবে পরিচিত। এটিকের একবর্ষ- জীবি আগাছা জাতীয় উদ্ভিদ ও বলা যেতে পারে। হাতিশুঁড় গাছকে অনেকেই অনেক রকম নাম দ্বারা চিনে থাকেন। কারণ হাতিশুঁড় গাছের রয়েছে বিভিন্ন নাম। 

সেই নামগুলো হচ্ছে হস্তীশুন্ডী,হাতিশুন্ডি,মহাশুন্ডি ,শ্রীহস্তিনি ইত্যাদি। হাতিশুঁড় এশিয়ার উদ্ভিদ। যার ইংরেজি নাম হচ্ছে “Indian Heliotrope” বা “Indian Turnsole”।

হাতিশুঁড় গাছের বিবরণ

হাতিশুঁড় এক ধরনের আগাছা জাতীয় গাছ। এই গাছ যেখানে সেখানে দেখা যায়। তাই এই গাছ খুব সহজেই মানুষের চোখ এড়িয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। হাতিশুঁড় গাছ প্রায় ১ এবং ১.৫ পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। এই গাছের কান্ড অনেকটা ফাঁপা হয়ে থাকে এবং নরম হয়। 

হাতিশুঁড় গাছের শরীরে ছোট ছোট লোম দেখতে পাওয়া যায়। হাতিশুঁড় গাছের উপরের দিকে কান্ড চৌক এবং নিচের দিকে গোলাকারের মতো হয়ে থাকে। হাতিশুঁড় গাছে ফুল দেখতে পাওয়া যায় আর সেই ফুল হয়ে থাকে সাদা রঙের তবে শ্বেত শুভ্র। 

এছাড়াও হাতিশুঁড় গাছের পাতাগুলো হয় খসখসে ধরনের। হাতিশুঁড় গাছের ফুল গুলো দেখতে একটু বেশি সুন্দর লাগে কারণ ফুলগুলো থাকে দুই সারিতে পরপর সাজানো। দেখে মনে হয় কেউ যেন সুশৃংখলভাবে ফুলগুলোকে সাজিয়ে রেখেছে।

হাতিশুঁড় গাছের মূলের উপকারিতা

আমরা এতক্ষন আপনাদেরকে হাতিশুঁড় গাছ কিভাবে চিনবেন সে সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরলাম। যেন আপনারা খুব সহজেই হাতিশুঁড় গাছ চিনতে পারেন। এখন আমরা আপনাদের সামনে হাতিশুঁড় গাছের মূলের উপকারিতা গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করব। আশা করছি আপনারা খুব সহজেই হাতিশুঁড় গাছের মূল উপকারিতা সম্পর্কে বুঝতে পারবেন। 

হাতিশুঁড় গাছের বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে “Heliotropium Indicum” যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় হাতিশুঁড়,মহাশুন্ডি,হস্তিশুন্ডী,শ্রীহস্তিনী ইত্যাদি। হাতিশুঁড় গাছটি “Boraginaceae” পরিবারের অন্তর্ভুক্ত গাছ বলা হয়ে থাকে। হাতিশুঁড় গাছের মূলের উপকারিতাঃ

  • কারো শরীরে যদি ছত্রাক জনিত সংক্রমণ হয় অথবা চাকা চাকা দাগ দেখা দেয় তাহলে হাতিশুঁড় গাছের পাতা বেটে তা থেকে রস মালিশ করলে খুব সহজেই নিরাময় পাওয়া যায়।
  • দাঁতের মাড়ির ব্যথা দূর করতে হাতিশুঁড় গাছের মূলের ভূমিকা অনেক বেশি। হাতিশুঁড় গাছের মূল বেটে তা থেকে রস বের করে দাঁতের মাড়িতে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখলে দ্রুত দাঁতের মাড়ির ব্যথা সেরে যায়।
  • শরীরের যে কোন অংশে কাটা ছেঁড়া অথবা আঘাত জনিত অংশে হাতিশুঁড় গাছের মূল বেটে তা থেকে রস বের করে লাগালে অনেক উপকার পাওয়া যায়।
  • সর্দি জ্বর অথবা কাশি কোনোমতেই যদি ভালো না হয় তাহলে হাতিশুঁড় গাছের মূল কিছুটা পরিমাণ পানিতে দিয়ে তা ফুটিয়ে সেই পানি পান করলে খুব দ্রুত এর কার্যকারিতা লক্ষ্য করা যায়।

হাতিশুঁড় গাছের শিকড়ের উপকারিতা

হাতিশুঁড় গাছের মূল এবং পাতা যেরকম ঔষধি হিসেবে ব্যবহার করা যায় ঠিক তেমনই হাতিশুঁড় গাছের শিকড় ওষধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। হাতিশুঁড় গাছের শিকড় ব্যবহার করেও বিভিন্ন রকম উপকার পাওয়া যায়। 

হাতিশুঁড় এমন এক ধরনের গাছ যার পাতা থেকে শুরু করে শিকড় কিংবা মূল সবকিছুই ওষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। উপরে হাতিশুঁড় গাছের মূলের উপকারিতা সম্পর্কে জেনেছেন। এখন হাতিশুঁড় গাছের শিকড়ের উপকারিতা সম্পর্কে জানুন।
  • শরীরের কোন অংশে যদি বিষাক্ত পোকা মাকড় কামড়ায় এবং সে জায়গায় জ্বালাপোড়া করে অথবা ফুলে যায় তাহলে হাতিশুঁড় গাছের শিকড় বেটে লাগালে খুব দ্রুত উপকার পাবেন।
  • যে সকল ব্যক্তিদের একজিমা জনিত সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য হাতিশুঁড় গাছের শিকড় মহা ঔষধ হিসাবে কাজ করে।
  • অনেক সময় শরীরের বিভিন্ন অংশ আঘাত জনিত কারণে ফুলে যাই। সেই ফোলা ভাব দূর করতে হাতিশুঁড় গাছের শিকড় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফোলা স্থানে হাতিশুঁড় গাছের শিকড় বেটে লাগালে খুব দ্রুত সমাধান পাওয়া যায়।
  • এছাড়াও শারীরিক বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দূর করতে হাতিশুঁড় গাছের শিকড় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

হাতিশুঁড় গাছের উপকারিতা ও গুনাগুন

এটি একটি এমন ঔষধি গাছ যা বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অনেক রোগ রয়েছে যে সকল রোগ ঔষধ দ্বারা সেরে ওঠেনা। তাই অনেকেই তখন গাছামো ঔষধ এর দিকে ঝোঁক দিয়ে থাকে। 

গাছামা ঔষধ এমন ঔষধ যা বিভিন্ন গাছ-গাছালি থেকে তৈরি করা হয়ে থাকে। হাতিশুঁড় গাছ ঠিক এমনই একটি গাছ। যে গাছ মানুষের শরীরের বিভিন্ন রকম সমস্যা সমাধানের জন্য মহা ঔষধ হিসেবে কাজ করে থাকে। 

আপনাদের শারীরিক বিভিন্ন রকমের ছোট ছোট সমস্যা যেমন কাটা ছেঁড়া অথবা ফোলা ভাব কমানোর জন্য হাতিশুঁড় গাছ ব্যবহার করতে পারেন। হাতিশুঁড় গাছের উপকারিতা ও গুনাগুন গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।

আঘাত জনিত ফোলা থেকে মুক্তিঃ শরীরের যে কোনো অংশে যদি আঘাত পাই তাহলে সেই আঘাত জনিত স্থানের ফোলা ভাব এবং ব্যথা কমাতে হাতিশুঁড় গাছ অনেক বেশি কার্যকরী। হাতিশুঁড় গাছের পাতা বেটে তা থেকে রস বের করে সেই রস হালকা কুসুম গরম করে যদি আঘাত জনিত স্থানে মালিশ করা হয় তাহলে খুব দ্রুত ব্যথা উপশম হয়।

ঠান্ডা জনিত সমস্যার সমাধান হিসাবেঃ ঠান্ডা জনিত যেকোনো সমস্যা সমাধানের মহা ঔষধ হিসেবে হাতিশুঁড় গাছ কাজ করে থাকে। ঠান্ডা লাগার কারণে যদি হাত কিংবা পায়ের গাট ফুলে ওঠে অথবা তলপেটের মাঝখানে ব্যথা হয় তাহলে হাতি সুরের গাছের পাতা বেটে তা থেকে রস বের করে সেই সকল স্থানে লাগিয়ে মালিশ করতে পারেন। এর কার্যকারিতা খুব দ্রুত চোখে পড়বে।

বিষাক্ত পোকামাকড় কামড়ালে উপকারঃ অনেক সময় আমাদের শরীরে বিভিন্ন রকম বিষাক্ত পোকামাকড় কামড়িয়ে থাকে। আর সেই পোকা কামড়ানোর কারণে আক্রান্ত স্থানটিতে জ্বালাপোড়া শুরু হয় এবং ফুলে যায়। এরকম সমস্যা দেখা দিলে আপনি হাতিশুঁড় গাছের শিকড় বেটে তা থেকে রস বের করে আপনার আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করতে পারেন।

ছত্রাক জনিত সমস্যার সমাধানঃ আমাদের শরীরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম ছাত্ররা আক্রমণ করে। আর সেই কারণে শরীরে চাকা চাকা দাগ দেখা দিয়ে থাকে। এ ধরনের দাগের উপর খুব ভালো কাজ করে হাতিশুঁড় গাছ। শরীরের চাকা চাকা অংশে হাতিশুঁড় গাছের মূল পিষে তা থেকে রস বের করে লাগাতে পারেন তাতে অনেক উপকার পাবেন।

সর্দি জনিত সমস্যার সমাধানঃ অনেক সময় দেখা যায় যে ঠান্ডা লাগার কারণে সর্দি ভালো হতেই চাই না। অনেক দিনের সর্দি ভালো করার জন্য হাতিশুঁড় গাছ অনেক বেশি কার্যকরী ঔষধ। এই গাছের পাতার রস খেতে পারেন এতে করে আপনার অনেক পুরাতন সর্দি ও ভালো হয়ে যাবে।

একজিমা দূর করতে সাহায্য করেঃ একজিমা রোগের মহা ঔষধ বলা যেতে পারে হাতিশুঁড় গাছ। যে সকল ব্যক্তি একজিমা সমস্যায় ভুগছেন তারা নিঃসন্দেহে হাতিশুঁড় গাছ ব্যবহার করতে পারেন।

দাঁতের মাড়ি ফোলা দূর করেঃ আমরা সকলেই কখনো না কখনো দাঁতের সমস্যাই করে থাকি। অনেক সময় আমাদের দাঁতের আশেপাশ অর্থাৎ মাড়ি ফুলে যায় এবং তা থেকে রক্ত বের হয়। এমন সমস্যা সমাধান করতে হাতিশুঁড় গাছ ব্যবহার করুন। হাতিশুঁড় গাছের মূল চিবানোর কারণেও মাড়ির ফোলা ভাব অনেকটা কমে যায়।

টাইফয়েড রোগে উপকারঃ অনেক সময় ঠান্ডা লাগা এতটা বেড়ে যায় যে টাইফয়েড দেখা দিয়ে থাকে। তাই যে সকল ব্যক্তি টাইফয়েড রোগে আক্রান্ত তাদের জন্য এটি একটি ভালো ঔষধ। হাতিশুঁড় গাছের পাতার রস হালকা কুসুম গরম করে খেলে টাইফয়েড ভালো হয়।

চোখের লাল ভাব দূর করেঃ আমাদের চোখের দুইটি অংশ থাকে। সাদা এবং কালো ধরনের। অনেক ব্যক্তি রয়েছে যাদের চোখের সাদা অংশ লাল হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। চোখ গুতাগুতি করার কারণে অথবা ধুলাবলি করার কারণেও অনেক সময় লাল হয়। এই সমস্যা সমাধান করার জন্য হাতিশুঁড় গাছের পাতার রস ব্যবহার করুন।

মুখে ব্রণ দূর করতে সাহায্য করেঃ মুখের ব্রণ এটি যেন একটি প্রধান সমস্যা। মেয়ে এবং ছেলে উভয় এমন ব্রণের সম্মুখীন হয়ে থাকে। আবার অনেক সময় ব্রণ ভালো হয়ে যাওয়ার পর ও ব্রণের দাগ ত্বকে থেকেই যায়। আপনার যদি এমনটা হয় তাহলে আপনি নিঃসন্দেহে হাতিশুঁড় গাছের পাতা ব্যবহার করতে পারেন। হাতিশুঁড় গাছের পাতা বেটে ব্রণের স্থানে লাগালে ব্রণ এবং ব্রনের দাগ ভালো হয়ে যায়।

যৌন সমস্যা সমাধান করেঃ অনেকেই নিজের যৌন সমস্যা সম্পর্কে অন্যের সামনে আলোচনা করতে দ্বিধাদ্বন্দ্ব বোধ করে। আর সেই কারণে অনেক সময় কারো সামনে কিছু না বলেই কাটিয়ে দেয়। এই ধরনের যৌন সমস্যা সারাতে নিঃসন্দেহে হাতিশুঁড় গাছের শিকড় ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন গাছের হাতিশুঁড় গাছের শিকড় খাওয়ার ফলে যে কোন ধরনের যৌন সমস্যা সমাধান হয়।

হাতিশুঁড় গাছের অপকারিতা

হাতিশুঁড় গাছ ঔষধি গাছ যার উপকারিতা অনেক বেশি কিন্তু এই গাছের উপকারিতার পাশাপাশি রয়েছে কিছু অপকারিতা। তাই অবশ্যই আপনাদের হাতিশুঁড় গাছের উপকারিতা জানার পাশাপাশি অপকারিতা সম্পর্কেও জানতে হবে। 

কারণ কোন জিনিস ব্যবহারের পূর্বে সেই জিনিসের উপকারিতা এবং অপকারিতা সম্পর্কে জেনে থাকা উত্তম। হাতিশুঁড় গাছের সবথেকে বড় অপকারিতা হচ্ছে এই গাছের রসের গন্ধ অনেক বেশি হয়ে থাকে। এছাড়াও হাতিশুঁড় গাছের রস খাওয়ার কারণে ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে। 

কারো কারো ক্ষেত্রে হাতিশুঁড় গাছের রস খাওয়ার কারণে বমির মতো সমস্যা হয়ে থাকে। এই গাছ যদি কোন ফসলি জমিতে জন্মায় তাহলে সেই ফসলি জমির মারাত্মক ক্ষতি হয়ে থাকে। যদি কোন ফসলে জমিতে এই গাছ দেখা দেয় তাহলে এই গাছ জমি থেকে তুলে ফেলা উচিত। 

হাতিশুঁড় গাছে উপস্থিত থাকে পাইরোলিজিডিম অ্যালকোলয়েড বিষ। আর এই বিষের কারণে একজন মানুষের শরীরে টিউমারের মত সমস্যা হতে পারে। হাতিশুঁড় গাছের রস খাওয়ার কারণে মানবদেহের রক্তচাপ কম বেশি হয়ে থাকে।

যৌন চিকিৎসায় হাতিশুঁড় গাছ

যৌন সমস্যা এটি যেন মানবদেহের একটি গোপনীয় রোগ। এরকম রোগ দেখা দিলে ব্যক্তি খুব সহজেই কারো সামনে বলতে চায় না অথবা চিকিৎসকের নিকট যেতে চাই না। এই ধরনের সমস্যার সমাধানের মহা ঔষধ হচ্ছে হাতিশুঁড় গাছ। 

হাতিশুঁড় গাছের রস খাওয়ার দ্বারা বিভিন্ন ধরনের যৌন সমস্যার সমাধান করা হয়ে থাকে। যৌন সমস্যার সমাধানের জন্য হাতিশুঁড় গাছ কিভাবে খাবে সে সম্পর্কে জেনে নিন। একটি বড় সাইজের পান পাতা নিতে হবে। আর সেই পান পাতাতে নিতে হবে আধা চামচ মধু। এর সাথে নিতে হবে হাতিশুঁড় গাছ। 

গাছ যদি বড় হয় তাহলে ১ ইঞ্চি আর যদি চিকন হয় তাহলে দুই ইঞ্চি শিকড় নিতে হবে। এবার এই সবগুলো উপাদান একসাথে চিবিয়ে খেয়ে নিতে হবে। এভাবে যদি হাতিশুঁড় গাছের শিকড় ১৫ দিন খেতে পারেন তাহলে আপনার যেকোনো ধরনের যৌন সমস্যা দূর হয়ে যাবে। 

এছাড়াও প্রতিদিন সকালে খালি পেটে যদি এক ইঞ্চি হাতিশুঁড় গাছের শিকড় ১৫ দিন চিবিয়ে খাওয়া যায় তাহলেও যৌন সমস্যা সমাধান হয়।

হাতিশুঁড় গাছ কোথায় পাওয়া যায়

হাতিশুঁড় গাছের নামকরণ কোথা থেকে হয়েছে কিংবা এই নাম কিভাবে হয়েছে তা কি আপনি জানেন। আসলে হাতিশুঁড় গাছের আকৃতি দেখতে অনেকটা হাতির সুরের মতো তাই এই গাছকে হাতিশুঁড় গাছ বলা হয়ে থাকে। হাতিশুঁড় গাছের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন রকম ভিটামিন,প্রোটিন এবং মিনারেল। 

তাই এই গাছকে মহা ঔষধি গাছ বলা হয়ে থাকে। হাতিশুঁড় গাছ এশিয়া মহাদেশের গাছ হিসেবে পরিচিত। কারণ এই গাছ এশিয়া মহাদেশের প্রায় সব কয়টি দেশেই পাওয়া যায়। এই গাছ ভারতেও অনেক বেশি চাহিদা সম্পন্ন একটি ঔষধি গাছ। 

ভারতে এই গাছ দ্বারা বিভিন্ন রকম ঔষধ তৈরি করে থাকে। আর বাংলাদেশ এই গাছ বিভিন্ন রকম জঙ্গল অথবা রাস্তার ধারে দেখতে পাওয়া যায়। কখনো কখনো এই গাছ ফসলি জমি এবং পুকুরের পাড়েও দেখতে পাওয়া যায়। এই গাছ কোনরকম যত্ন ছাড়াই নিজে থেকেই বেঁচে থাকে।

শেষ কথাঃ হাতিশুঁড় গাছের উপকারিতা

আমরা আপনাদের সামনে আজকে হাতিশুঁড় গাছের সম্পর্কে সকল তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করলাম। আশা করছি আপনারা রাস্তার পাশে অথবা বাড়ির দেয়াল ঘেষে যদি হাতিশুঁড় গাছ বের হয় তাহলে খুব সহজেই চিনতে পারবেন এবং এর উপকারিতা গুলো কাজে লাগাতে পারবেন। 

হাতিশুঁড় এক ধরনের শক্তিশালী ঔষধি গাছ। তাই আপনারা ইচ্ছা করলে এই গাছ আপনাদের ব্যালকনিতে অথবা বাড়ির ছাদে টবে লাগাতে পারেন। আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো তাহলে আপনারা এই আর্টিকেল সোশ্যাল মিডিয়াতে অথবা আপনাদের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।

ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

দ্যা বর্ষা ওয়েব সাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url